ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগং (ইউসিটিসি)-এর ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিনিয়রস’ ক্লাব লিমিটেড হলে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান, স্মৃতিচারণ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং প্রাণবন্ত মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ওসমান। ইউসিটিসির উপাচার্য মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. মো. জাহিদ হোসেন শরীফের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৈয়ব চৌধুরী।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মেজর (রিটায়ার্ড) রেজাউল করিম, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী সুব্রত দাশ, সম্মানিত অতিথি ছিলেন, বিএসআরএম হেড অব এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ওসমান গনি মজুমদার, হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস হেড অব এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মিজানুর রহমান, রাঙ্গুনিয়া হাসিনা জামাল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার তুরী, রাঙ্গুনীয়া হাসিনা জামাল ডিগ্রি কলেজের প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন নসু, ইউসিটিসির এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নবীউল আলম, কন্ট্রোলার অব এক্সামস ড. মো. নুরুল আবছার, রেজিস্ট্রার সালাউদ্দিন আহমেদ, পরিচালক (অর্থ) আব্দুল কাদের তালুকদার, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের এডভাইজার, অধ্যাপক মো. বজলুর রহমান, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু জাবেদ, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স-এর পরিচালক এস এম শহিদুল আলম এবং মার্কেটিং অ্যান্ড অ্যাডমিশনের প্রধান অভিমান ঘোষ দস্তিদার।
এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন কর্পোরেট রিলেশন অফিসার ইসমাইল বিন আজিজ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবনের সাফল্য, নেতৃত্বগুণ, নৈতিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ইউসিটিসির ১১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও সমৃদ্ধ করবে।
অনুষ্ঠানটি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে ওঠে। ফেয়ারওয়েল প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের স্মৃতি, বন্ধুত্ব ও আবেগঘন মুহূর্তগুলো নতুনভাবে উদযাপিত হয়। দিনব্যাপী এ আয়োজন প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়।