ঢাকাসহ দেশের মধ্যাঞ্চলের অধিবাসীদের এবারের ঈদে দুর্ভোগ বাড়তে পারে। ঈদের দিন সকাল ও সন্ধ্যায় এসব এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। দেশের মধ্যাঞ্চলে যখন এ অবস্থা তখন দেশের উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চল ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টি দুর্ভোগের শঙ্কা কম। তবে সিলেট এলাকায় আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ও আগামীকাল বুধবার মাঝারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পর ঈদের দিন কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে।
আজ সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ঢাকা শহরে ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। ঢাকায় এই বৃষ্টিপাত হলেও একই সময়ে সবচেয়ে বেশি হয়েছে সীতাকুণ্ডে ও ফেনীতে ৭৪ মিলিমিটার। চট্টগ্রামে হয়েছে ৪৫ মিলিমিটার।
হঠাৎ করে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ফোকাস্টিং কর্মকর্তা তরিফুল নেওয়াজ কবির দেশ রূপান্তরকে বলেন, সাগর থেকে আসা জলীয় বাস্পের কারণে দেশজুড়েই বৃষ্টি হচ্ছে। তবে এবারের বৃষ্টি কিছুটা ব্যতিক্রম। এই সময়ের বৃষ্টির যে রুট তা পরিবর্তন হয়ে ভিন্ন রুট দিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে।
ভিন্ন রুট প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসময় সাধারনত দেশের রংপুর দিনাজপুর দিয়ে বৃষ্টি শুরু হয়ে ঢাকার উত্তরাংশের উপর দিয়ে
সিলেট সুনামগঞ্জ হয়ে চলে যায়। কিন্তু এবার এই বৃষ্টি নওগাঁ, রাজশাহী দিয়ে শুরু করে ঢাকার মধ্যাঞ্চল হয়ে কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম হয়ে চলে
যাচ্ছে।
তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ঈদের দিন ঢাকাসহ দেশের মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। তবে এ বৃষ্টি সকাল ও
সন্ধ্যায় হবার সম্ভাবনাই বেশি। ঢাকা ছাড়া দেশের রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। দেশের
বেশিরভাগ এলাকায় ঈদের দিন বৃষ্টি হতে পারে। তবে ঈদের পর দিন থেকে বৃষ্টির মাত্রা কমে আসতে পারে।