পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত ও ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হিলি রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে মানুষ এখানে ঘুরতে আসছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, হিলির অন্যতম আকর্ষণ হলো বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থান এবং সীমান্তঘেঁষে ব্রিটিশ আমলের রেললাইন।
দর্শনার্থীরা সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দূরদুরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা রেলস্টেশন ও আশপাশের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করছেন। স্মৃতিকে ধরে রাখতে অনেকেই ছবি তুলছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।
দর্শনার্থীদের মতে, হিলির বিশেষত্ব হলো একই স্থান থেকে সীমান্তের অনন্য দৃশ্য, ঐতিহ্যবাহী রেলস্টেশন এবং ছায়াঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগের সুযোগ রয়েছে। স্থানীয় তরুণদের কাছেও এটি ঈদের ছুটিতে আড্ডা ও বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
হিলি স্টেশনে আসা সবুজ হোসেন বলেন,আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে হিলি স্টেশনে আসলাম। আবার বৃটিশ আমলে নির্মিত একটি রেলস্টেশন,সেই স্টেশনের রেললাইনের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ভারত। একপাশে বিজিবি পাহারা দিচ্ছে আবার একপাশে বিএসএফ পাহার দিচ্ছে সব মিলিয়ে বেশ ভালোই লাগে।
স্টেশনে আসা নাঈম হোসেন বলেন,আমাদের হিলি স্টেশন একটা ছোটখাটো পার্ক বললেই চলে। আমাদের হিলিতে ঘোরাফেরার সেরকম জায়গা নাই। তো সেই হিসেবে আমরা ঈদের সময়টাতে একটু যে সময় পায় সবাই মিলে বন্ধুরা এখানে আড্ডা দেই। বাহির থেকে অনেক বন্ধু বান্ধব আসে সবাই একসাথে মিলিত হয়ে এখানে আড্ডা দেয় ভালোই লাগে। এখানকার আবহাওয়া খুব ঠান্ডা শীতল প্রকৃতির। শুধু স্থানীয় লোকজন নয় বাহির থেকে প্রচুর লোকজন আসে অনেক মানুষের সমাগম হয়।
হিলি রেলস্টেশনের পয়েন্টস ম্যান শামীম আল জুয়েল বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরেই দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয়। তবে ঈদের সময় দর্শনার্থীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায় এবং প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এই ভিড় অব্যাহত থাকে।