গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলায় বজ্রপাতে মা ও ছেলে মারা গেছেন। বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামের দাসপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- কল্পনা রানী (৫৫) ও তার ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩০)। নিহতরা ওই গ্রামের সুনীল চন্দ্র শৈলেন দাসের স্ত্রী ও ছেলে।
ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহীন আলম জানান, নিহত সোহাগ ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। তিনি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় বজ্রপাতসহ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল ও বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা। এসময় কল্পনা রানী বাড়ির পাশের শুকনো গাছের পাতা আনতে যান। মাকে সহযোগিতা করতে সোহাগও সেখানে যান। এসময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে মা ছেলে মাটিতে লুটে পড়ে। পরে আহত অবস্থায় স্বজনেরা তাদের গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তারা মারা যান। এ ঘটনায় নির্মল চন্দ্র (৩৪) নামে একজন আহত হন।
এদিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বাড়িতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে চার নারী ও এক পুরুষসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নুরিনা বেগম ও আতোয়ার রহমানের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতরা হলেন- সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মুরাদ মিয়ার স্ত্রী মোছা. সোনালী বেগম (২৬), রামজীবন ইউনিয়নের সুবর্ণদহ গ্রামের নুরুন্নবী মিয়ার স্ত্রী মোছা. নুরিনা বেগম (২৪), দহবন্দ ইউনিয়নের মৃত বাবর আলীর ছেলে মো. আতোয়ার রহমান (৪৯), একই ইউনিয়নের দক্ষিণ ধুমাইটারি গ্রামের আয়নাল হকের স্ত্রী জয়নব বেগম (৪৬) এবং জরমনদী গ্রামের জয় কৃষ্ণের স্ত্রী শ্রীমতি উষা রানী (৫১)।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক বলেন, বজ্রপাতে আহত পাঁচজনের মধ্যে তিনজন সুস্থ। দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।