কিশোরগঞ্জের ভৈরব স্টেশনে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে সাংবাদিক,পুলিশসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় পাঁচ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ চলে রাত ১টা পর্যন্ত চলে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনী, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, আনসাররা কয়েক দফার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
স্থানীয় জানায়, ঈদ পরবর্তী ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভৈরব পৌর এলাকার পঞ্চবটী গ্রাম ও জগন্নাথপুর গ্রামের লোকজন স্টেশনের ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে একপক্ষ ভৈরব রেলস্টেশনের পশ্চিম দিকে রেললাইন এবং প্ল্যাটফর্ম দখলে নেয়, এবং রেললাইন থেকে বৃষ্টির মতো পাথর ছুঁড়তে থাকে। এতে সাংবাদিক, পুলিশ সদস্যসহ প্রায় ৩০ জন আহত হয়। এ সময়ে স্থানীয় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা সংঘর্ষ থামাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। একপর্যাযে রাত দেড়টার দিকে বৃষ্টি আরম্ভ হলে, আস্তে আস্তে দুইপক্ষই সরে যেতে থাকে, পরবর্তীতে যৌথ বাহিনী ভৈরব বাজার (জংশন) প্ল্যাটফর্ম ও প্লাটফর্মের আশেপাশের এলাকা নিয়ন্ত্রণে আনলে পরিস্থিতি স্বাভাবিকহয়। এরপর রাত ২টা থেকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ভৈরব রেলওয়ের জংশন স্টেশন মাস্টার আবু ইউছুফ জানান, কি পরিমান রেলওয়ের ক্ষতি হয়েছে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। এছাড়া এঘটনায় রেলওয়ের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভৈরব খানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফুয়াদ রোহানি জানান, সংঘর্ষের সঙ্গে যারা জড়িত এবং পুলিশের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।