তপু বর্মণের জোড়ায় সান মারিনোকে হারাল বাংলাদেশ

ইউরোপের মাটিতে ইউরোপীয় কোনো দলের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। তপু বর্মণের জোড়ায় সান মারিনোকে তাদেরই মাটিতে ২-১ গোলে হারিয়েছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। আর এ জয়ে দিয়ে টমাস ডুলির বাংলাদেশের কোচিং অধ্যায় শুরু হলো।

সেরাফাল্লে স্টেডিয়ামে নতুন কোচ টমাস ডুলির অধীনে ৪-৩-৩ ছকে একাদশে ফিরে মাঝমাঠে হামজা চৌধুরী ও সোহেল রানা সিনিয়রের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়া গড়ে তোলেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। ম্যাচের শুরুতে সান মারিনোর ওপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেন ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও সাদ উদ্দিনরা। ১৭ মিনিটে জামালের একটি শট ব্লকড হওয়ার পর, ১৯ মিনিটেই আসে সেই কাক্সিক্ষত মুহূর্ত। শেখ মোরসালিনের দুর্দান্ত এক ক্রসে হেডে সান মারিনোর জাল কাঁপান তপু বর্মণ।

তবে লিড ধরে রাখার আনন্দ স্থায়ী হয়েছে মাত্র ১২ মিনিট। ৩১ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ফিলিপ্পো বেরার্দির রক্ষণচেরা পাসে বল পেয়ে গোলরক্ষক মিতুল মারমাকে পরাস্ত করে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান ফরোয়ার্ড নিকোলাস জাকোপেত্তি।

সমতায় ফেরার পর ম্যাচটি বেশ শারীরিক রূপ নেয়। ৩৩ মিনিটে ফাউল করে হলুদকার্ড দেখেন দীর্ঘ দুই বছর পর জাতীয় দলে ফেরা ফরোয়ার্ড রফিকুল ইসলাম। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বাংলাদেশ আক্রমণের ধার আরও বাড়ায়। ৩৭ মিনিটে গোল ব্যবধান বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন সাদ উদ্দিন; ডি-বক্সের ভেতর বল পেলেও তার নেওয়া শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

এরপর প্রথমার্ধের বাকি সময়টুকুতে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে দ্বিতীয় গোলের খোঁজে মরিয়া ছিলেন ডুলির শিষ্যরা। তবে সান মারিনোর রক্ষণভাগ দৃঢ়তা দেখালে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতা নিয়েই প্রথমার্ধের বাঁশি বাজান রেফারি। দ্বিতীয়ার্ধের ৮৬ মিনিটে তপু বর্মণ আবার হেড করে জয় এনে দেন বাংলাদেশ।