দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ

ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। 

বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শনিবার রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে দিল্লি পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বাসভবন এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বাসভবনের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

চলতি বছরের এনইইটি-ইউ ২০২৬, সিইউইটি, এসএসসি জিডি এবং সিবিএসই-এর অন-স্কিন মার্কিং মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ব্যাপক অনিয়ম, প্রশ্নফাঁস এবং কাঠামোগত ব্যর্থতার অভিযোগ এনে এই প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়। আন্দোলনকারীদের প্রধান ও একমাত্র দাবি— কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্ব পদত্যাগ।

শনিবার স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৮টায় দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছান অভিজিৎ দিপকে। সেখান থেকে বিক্ষোভের জন্য অনুমতি নিতে তিনি সরাসরি পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার উদ্দেশ্যে রওনা হন। অনুমতি নিয়েই নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভস্থলে যান দিপকে। এরপর শুরু হয় বিক্ষোভ।

এই সপ্তাহের শুরুতে দীপকে ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শুরু করার জন্য তিনি বোস্টন থেকে ভারতে ফিরবেন। ভারতের লাদাখ অঞ্চলের বিশিষ্ট অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুকও বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

গত সেপ্টেম্বরে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে সহিংস বিক্ষোভের পর গ্রেপ্তার হয়ে তিনি ছয় মাস আটক ছিলেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র নামের অনুকরণে গঠিত ব্যঙ্গাত্মক ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গত মাসে যাত্রা শুরুর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাখ লাখ অনুসারী অর্জন করেছে।

‘তরুণদের জন্য, তরুণদের দ্বারা, তরুণদের রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম’ এই স্লোগান নিয়ে দলটির জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। সূত্র: দ্য হিন্দু/হিন্দুস্তান টাইমস