এনসিপিকে জামায়াতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে: রাশেদ

গণঅধিকার পরিষদ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া নেতা রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আরেকটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, এনসিপিকে জামায়াতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে। হয়তো আমাদের নাহিদ-আসিফরা নিজেরাও বুঝতেছে না, কিভাবে এনসিপিকে দখল করছে জামায়াত-শিবির।

রাশেদ খানের দাবি, এনসিপির অন্যতম নেতা আসিফ মাহমুদ অতীতে এ বিষয়ে সোচ্চার থাকলেও বর্তমানে তিনি জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের দলে অন্তর্ভুক্ত করছেন।

তিনি বলেন, জামায়াতের প্রতিষ্ঠান না হয়ে এনসিপি একটি নতুন দল হিসেবে নতুনভাবে দাঁড়াতে পারতো। বাংলাদেশে নতুন দল বা শক্তির বিকাশের বাস্তবতা ও প্রয়োজনও ছিলো। কিন্তু জামায়াত থাকতে আরেকটি জামায়াতের ‘প্রোম্যাক্স’ দলের প্রয়োজন ছিলো না।

বিএনপির এই নেতা আরও দাবি করেন, এনসিপির রাজনৈতিক যাত্রা শুরু থেকেই জামায়াত-শিবিরের প্রভাবের মধ্যে রয়েছে।

তার ভাষ্য, ৮০ শতাংশ জামায়াত-শিবির দিয়েই এনসিপির বসন্ত শুরু হয়েছে। হয়তো ভবিষ্যতে জামায়াতের মধ্যে বিলুপ্ত হয়েই শতভাগ বসন্ত হবে।

রাশেদ খান বলেন, দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের শূন্যতা পূরণের একটি সুযোগ এনসিপির সামনে তৈরি হয়েছিল। তবে নেতৃত্বের ব্যর্থতায় সেই সম্ভাবনা নষ্ট হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই এনসিপির ব্যর্থতায় আওয়ামী লীগের ফেরার প্রাসঙ্গিকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এনসিপির মাধ্যমে আওয়ামী শূন্যতা পূরণের এক দারুণ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সুযোগ হাতছাড়া হলো। নতুন সম্ভাবনা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করল আমাদের নাহিদ-আসিফরা।