ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী ‘সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষন’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
প্রতিবেদনে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
রবিবার (৭ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
পে-স্কেল বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ ইস্যুতে টিআইবি জানায়, আগামী ১ জুলাই থেকে তিন ধাপে নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে বেতন-পেনশন বৃদ্ধি, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের অধিক সুবিধা, গ্রেড বৈষম্য কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পুরো নতুন বেতন কাঠামো একসঙ্গে কার্যকর না করে তা তিনটি অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী জুলাই মাস থেকেই সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেসিক বেতনের অর্ধেক অংশ পেতে শুরু করবেন।
২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি অর্ধেক বেসিক কার্যকর করা হবে। এরপর ২০২৮-২০২৯ অর্থবছরে নতুন পে-স্কেলের আওতায় নির্ধারিত বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধা ধাপে ধাপে চালু করা হবে।
সূত্র জানায়, আগামী ১১ জুন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সংসদে পেশ করবেন। ওই দিনই পে স্কেল বরাদ্দের বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্য জানা যাবে।