টিভি ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর তানিন সুবহার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত বছর এই দিনে (১০ জুন) মাত্র ৩২ বছরেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। ২০২৫ সালের ২জুন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তানিন। প্রথমে আফতাবনগরের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় ফেরেন। তবে সন্ধ্যায় আবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বনশ্রীর একটি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে মৃত্যার আগ পর্যন্ত লাইফ সাপোর্টে ছিলেন এই অভিনেত্রী।
তানিন সুবহার জন্ম মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার মোল্লারহাটে। তবে তার শৈশব কাটে বরিশালে নানাবাড়িতে। বাবার চাকরিসূত্রে পরিবারের সঙ্গে সৌদি আরবও থেকেছেন কয়েক বছর। ২০১২ সালে ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ ও ‘ম্যাঙ্গোলি নাচো বাংলাদেশ নাচো’ প্রতিযোগিতায় নাম লেখান। বেশি দূর যেতে না পারলেও শোবিজে কাজ করার আগ্রহ জন্মায়। এরপর বিজ্ঞাপনচিত্র দিয়ে শোবিজে নাম লেখান তিনি। অভিনয় করেন নাটক-সিনেমায়। ‘মাটির পরী’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় তার অভিষেক হয়, এরপর নাম লেখান বেশ কিছু সিনেমায়।
‘মাটির পরী’ হয়ে যে সুবহার পথচলা শুরু হয়েছিল ঢালিউডের আঙিনায়, নিয়তির নির্মম পরিহাসে তিনি নিজেই আজ মাটির নিচে এক শান্ত পরী হয়ে রইলেন। তার অভিনীত ‘যমজ’, ‘ভালো থেকো’ কিংবা ‘তুই আমার’ চলচ্চিত্রগুলোর মতোই দর্শকের মনে আজীবন বেঁচে থাকবে তার এই অসময়ের চলে যাওয়ার ট্র্যাজেডি।