কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাইক্রোর ভাড়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার ( ১০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের কমলপুরের দুর্জয় মোড় সংলগ্ন এলাকার এই সংঘর্ষে ঘটে। এতে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক ও ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনদিন আগে মাইক্রো ভাড়া নিয়ে কমলপুর এলাকার এক মাইক্রোবাস চালকের সঙ্গে দুর্জয় মোড় এলাকার কয়েকজন যুবকের বিরোধ হয়। এর জের ধরে বুধবার বিকেলে দুর্জয় মোড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যুবকরা মাইক্রোস্ট্যান্ড ও কমলপুর এলাকার কয়েকটি দোকান ভাঙচুর চালায়। পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে উভয়পক্ষ দা, বল্লম ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের কারণে ঢাকা ও সিলেটগামী বাসসহ সকল প্রকার যানবাহন চলাচল পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকে। এতে সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পড়ে।
এদিকে,সংঘর্ষ থামাতে ভৈরব থানা পুলিশ কয়েক দফা চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। উল্টো সংঘর্ষকারীদের ইট পাটকেলের আঘাতে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২৫ জনের মত আহত হন।
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান শেলী বলেন, আমরা দীর্ঘক্ষণ সময় তাদেরকে বুঝিয়ে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করেছি, তাদের কাছে প্রচুর পাটকেল ছিল যে কারণে আমার পুলিশ সদস্য সংখ্যা কম হওয়ায় আমরা এগোতে পারিনি। শেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পেরে বাধ্য হয়ে আমরা একপাশে চলে যাই। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।