সৃজনশীলতা যুক্ত হবে অর্থনীতির মূল ধারায়

এই প্রথম ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিতে নজর দিল সরকার। আগামী অর্থবছর এ খাতে ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সৃজনশীলতাকে অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করতে এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ঢাকার পূর্বাচলে ১৬০ একর জমির ওপর পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে একটি বিশ্বমানের সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ হাব স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। একইসঙ্গে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এবং শিশু একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে ক্রিয়েটিভ হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে ইনোভেশন হাব চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই খাতে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ক্রিয়েটিভ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও খাতের সমন্বিত কার্যক্রম চালু করা হবে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে সৃজনশীল হাব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের ‘একটি গ্রাম, একটি পণ্য’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে তাঁত, মৃৎশিল্প, বুনন, শীতলপাটি, শতরঞ্জি, কাঠের খেলনা, হাতে তৈরি গয়না ও টেরাকোটাসহ স্থানীয় সৃজনশীল পণ্য চিহ্নিত ও উন্নয়নের কাজ চলছে। এসব পণ্যের নকশা ও মানোন্নয়নে ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনারস’ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিসিকের নকশা কেন্দ্রকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।