কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে পুশ ইনের ঘটনায় ৩০ ঘণ্টা পর ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) পতাকা বৈঠকেও সমাধান মেলেনি।
বিএসএফ জানিয়েছে, শূন্য রেখায় থাকা ওই ১২ জন ভারতীয় নাগরিক কিনা সেবিষয়ে যাচায় বাছাই করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এর আগ পর্যন্ত তাদের ওখানেই থাকতে হবে।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টায় ১৪৮নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায় ভারতের রানী নগর বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার এসি সুনীল কুমার ও ৪৭ বিজিবির সহকারী পরিচালক নুরুল হুদার নেতৃত্বে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে অনুষ্ঠিত ৩০ মিনিটের পতাকা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
বিজিবি জানায়, দৌলতপুরের প্রাগপুর ইউনিয়নের চর বিলগাথুয়া এলাকায় উদ্ভুত পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে কোনোভাবেই পুশ ইনের ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, পুশ ইন মোকাবিলায় বিজিবির সঙ্গে তারাও সজাগ আছেন।
শুক্রবার (১২ জুন) ভোর রাতে বিএসএফ চার শিশু, চার নারী ও চার পুরুষসহ ১২ জনকে বাংলাদেশ ভূ-খণ্ডে পুশ ইন চেষ্টা করে। টের পেয়ে বিজিবি ও স্থানীয়রা অনুপ্রবেশে বাঁধা দেয় এবং ভারত ভু-খণ্ডে তাদের ফিরিয়ে দেয়। এরপর থেকে ভুক্তভোগী নারী শিশুসহ অনুপ্রবেশকারী ওই ১২জন সীমান্তের শূন্য রেখায় অবস্থান করছেন।