মনোজ মাহমুদ
রিফ্লেক্সোলজিস্ট ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ
কারণ
অতিরিক্ত বা দ্রুত খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত ও মসলাযুক্ত খাবার, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত চা, কফি বা কোমল পানীয় পান, ধূমপান ও মদ্যপান, মানসিক চাপ ও উদ্বেগ, গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা, পাকস্থলীর আলসার, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
লক্ষণ
পেট ভারী লাগা, ফাঁপা ও গ্যাস, ঘন ঘন ঢেকুর ওঠা, বুকজ্বালা, বমি বমি ভাব, খাবারের পর অস্বস্তি, পেটের ওপরের অংশে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া, ক্ষুধামান্দ্য।
চিকিৎসা
আদা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস কমায়। ১ গ্লাস হালকা গরম পানিতে ১ চামচ আদার রস দিয়ে পান করা যেতে পারে। ভাজা জিরা গুঁড়া ও হালকা গরম পানি হজমে সহায়ক হতে পারে। খাওয়ার পরে অল্প মৌরি চিবালে গ্যাস ও পেট ফাঁপা কমতে পারে। হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে হজমে উপকার হয়। খাবারের পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়।
আরও যা করবেন
সহজপাচ্য ও হালকা খাবার খাওয়া, অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, অতিরিক্ত তেল-মসলা ও ভাজাপোড়া এড়ানো।
সুবিধা
হজমশক্তি উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়। পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি কমাতে সহায়ক বলে বিবেচিত হয়। বমি বমি ভাব ও বদহজমে ব্যবহৃত হয়।
চাপ প্রয়োগের নিয়ম ও সময়
প্রতিটি পয়েন্টে সহনীয়ভাবে পাম্প করার মতো করে এক থেকে দুই মিনিট চাপ দিন। দিনে এক থেকে দুবার থেরাপি করতে পারেন, খাওয়ার আগে অথবা খাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে।
কখন নেবেন চিকিৎসকের পরামর্শ
কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, রক্তবমি, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, গিলতে কষ্ট হওয়া, তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী পেটব্যথা, ২ থেকে ৩ সপ্তাহের বেশি বদহজমের সমস্যা থাকলে।