এক নজরে

বহুভাষী আনচেলত্তি

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি মোট কতটি ভাষা জানেন? মরক্কো ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগিজ, স্প্যানিশ, ইংরেজি ও ফরাসি এই চার ভাষায় সাবলীলভাবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন তিনি। আসলে আনচেলত্তি এ চারটি ভাষাই ভালো জানেন, তবে তার মাতৃভাষা ইতালিয়ান। এক সাক্ষাৎকারে নিজের ভাষাজ্ঞান ও অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে আনচেলত্তি বলেছেন ‘আমি মোটামুটি ভালো ইংরেজি বলতে পারি। ইতালিয়ান খুব ভালো বলি। স্প্যানিশ ও ফরাসিটাও ভালো বলি। তবে জার্মানটা অনেক কঠিন। ওদের ব্যাকরণ অনেক ভিন্ন। ফরাসি ও স্প্যানিশ সহজ। কারণ এ দুই ভাষার ব্যাকরণ একই।’ বায়ার্ন মিউনিখের কোচ থাকাকালীন জার্মান ভাষা শিখতে কঠোর পরিশ্রম করলেও ভাষাটি তার কাছে বেশ কঠিনই মনে হয়েছে।

বলে চার্জ না দিলে খেলা বন্ধ!

ফুটবলের বলে চার্জ দিতে হবে, নয়তো খেলা বন্ধ! শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এবারের বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ম্যাচ বল ‘ত্রিওনদা’র ক্ষেত্রে এটাই সত্যি। এই বলের ভেতরে ৫০০ হার্টজের একটি হাই-টেক মোশন সেন্সর চিপ বসানো আছে, যা নিখুঁত ডাটা রেকর্ড করে। তাই ম্যাচ শুরুর আগে রেফারিদের নিশ্চিত করতে হচ্ছে বলটিতে ‘ফুল চার্জ’ আছে কি না! একবার চার্জ দিলে বলটি টানা ৬ ঘণ্টা সচল থাকে। ফোনের মতো ফুটবল চার্জ দেওয়ার এই খবরটি ফুটবলার ও দর্শকদের মধ্যে বেশ হাসির খোরাক জোগাচ্ছে।

জার্মান পর্যটকের ‘আমেরিকা আবিষ্কার’

ফ্রেডি নামের এক জার্মান ফুটবল ভক্ত তার দলকে সমর্থন করতে যুক্তরাষ্ট্রে গেছে। তবে খেলা দেখার চেয়ে আমেরিকার সাধারণ ফাস্ট ফুড চেইনগুলোতে খাওয়া এবং সেগুলোর রিভিউ দেওয়া নিয়েই তিনি বেশি ব্যস্ত। তিনি ‘টাকো বেল’-কে ‘পবিত্র ভূমি’ এবং ‘ওয়াফেল হাউজ’-এর সাধারণ খাবারকে পৃথিবীর সেরা খাবার হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় রিভিউ দিচ্ছেন। আমেরিকার অত্যন্ত সাধারণ জিনিস দেখে তার এই অতি উত্তেজিত ভিডিওগুলো এখন বিশ্বকাপের অন্যতম বড় ট্রেন্ড।

ইংল্যান্ডের ‘বুট-বল’ চুরি

খেলা মাঠে গড়ানোর আগেই বড় ধাক্কা খেল ইংল্যান্ড দল, তবে চোট বা লাল কার্ডে নয় একেবারে চুরির চোটে! কানসাস সিটিতে থিতু হওয়ার আগেই ইংলিশদের অনুশীলনের সরঞ্জামবোঝাই গাড়ি থেকে গায়েব হয়ে গেছে দামি বুট আর ফুটবল। ফ্লোরিডার ক্যাম্প থেকে মালামাল নিয়ে গাড়িটি যখন কানসাসে পৌঁছায়, তখনই দেখা যায় সব ফাঁকা! বুধবার ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ, অথচ হ্যারি কেইনদের পায়ে দেওয়ার মতো বুটই নাকি নেই! ব্রিটিশ মিডিয়া তো হাহাকার শুরু করে দিয়েছে। তবে কানসাস পুলিশ দ্রুত অ্যাকশন নিয়ে ইতিমধ্যে দুজনকে লকআপে পুরেছে। এদিকে ইংলিশ এফএ মুখে কুলুপ এঁটেছে। ‘ফুটবল ইজ কামিং হোম’ সেøাগান দেওয়া ইংলিশরা এখন মাঠের বদলে চোরের ডেরায় বল খুঁজছে!