তুমি যখন দিগন্তের পেছনে ছুটতে থাকো তখন হাওয়ায়
উড়তে থাকে শূন্যতা! নৈঃশব্দ্যের ভেতরে মুদ্রিত হতে
থাকে রঙের খেলা! তুমি যত তাকে ফুলাতে থাকো সে
বেলুনের মতো আহ্লাদিত হয়ে ছুটতে থাকে দিগন্তের দিকে!
ভয় থেকে আতঙ্ক যেন জাপটে ধরছে ক্রমশ! কী ছিল
আর কী হলো না এ রকম অমীমাংসিত সত্যের মুখোমুখি
হাই তুলে বসে ঢেঁকি কাহিনি! শান্তির তকমা সেটে সেও
ইতিহাস নিয়ে খ্যালে! যারা খোলা চোখে দৃষ্টিহীন হয়ে
আগুনের চূড়ায় বসে বাজায় মৃদঙ্গ সুনিশ্চিত হয়ে কি
বলা যায় পরিণাম কী হতে পারে? আমরা এখন যে যার
মতো! চারদিকে কৃত্রিম হাসির অনর্থ উল্লাস! বুঝতে না
পারার প্রবণতা হৃদয় বিদীর্ণ করে অব্যক্ত ভূমিকা ছাড়াই
লবণাক্ত করে তোলে প্রতিশ্রুতি! ও প্রাণ ও আলো এতটুকু
জীবনের জন্য অপেক্ষায় থাকার কোনো মানে হয় না!
যে দিন দেশ ও মানুষ বদলে যেতে যেতে অপরাহ্ণ খেয়ে
ফেলল সেদিন কে জানত কেউ আর কাউকে কোনো
দিন চিনতে পারবে না! এক অচেনা জগৎ ফুটপাত মাথায়
নিয়ে আলো ও জলের খেলা দেখতে দেখতে ক্লান্ত প্রাণ
এক! কার মুখ আঁকতে আঁকতে তুমি দিশেহারা? আজ
আর কেউ কারও পরিচয় জানতেও চায় না! পথের
কাঁটার মতো মৌন হয়ে থাকে মস্তিষ্ক! কোথাও যাবার নেই
অক্ষরবৃত্তের ঘোর তমসায় স্মৃতিরা ডুবে যেতে থাকে...