বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন্ডপ্রাপ্তি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীর বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও প্যারেডের অভিবাদন গ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি কৃতী ক্যাডেটদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। পরে বিএমএতে ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’-এর উদ্বোধন করেন তিনি।
৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সর্বমোট ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। এর মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন মহিলা অফিসার রয়েছেন। এ ছাড়াও ৪ জন ফিলিস্তিন, একজন করে তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও মালদ্বীপের অফিসার ক্যাডেট রয়েছেন। ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম সেরা চৌকস ক্যাডেট হিসেবে অসামান্য গৌরবম-িত ‘সোর্ড অব অনার’ ও সামরিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন।
সেনাপ্রধান বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড ও কমান্ড্যান্ট, বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমি এবং ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার, চট্টগ্রাম এরিয়া তাকে অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, দেশি-বিদেশি উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, তিন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের পিতা-মাতারা বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। পরে সেনাপ্রধান বিএমএতে ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’-এর উদ্বোধন করেন। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএমএ-তে প্রশিক্ষণরত অফিসার ক্যাডেটদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের যোগ্যতা অর্জন এবং প্রশিক্ষণের সার্বিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ‘১ম বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’-এর পাশাপাশি ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এছাড়াও, তিনি বিএমএতে নবনির্মিত সিএমএইচ, ভাটিয়ারী; বিএমএ পার্ক; বিএমএ সুইমিং পুল এবং এমইএস অফিস কমপ্লেক্স প্রকল্পসমূহের উদ্বোধন করেন।