ভোলার চকবাজারে অগ্নিকাণ্ড

ভোলা শহরের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা চকবাজারের নিউ শাড়ি বিতানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার বিকেলে এ অগ্নিকাণ্ডে দোকান ও গুদামে থাকা বিপুল পরিমাণ কাপড় পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন দোকান মালিক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলের  দিকে হঠাৎ নিউ শাড়ি বিতান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে দোকানের বিভিন্ন অংশে। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে খবর পেয়ে ভোলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের শিখা ও ধোঁয়া দূর থেকে দেখা যাচ্ছিল। কাপড়ের দোকান হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে দোকানের ভেতরে থাকা মালামাল দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের তৎপরতায় আশপাশের অন্য  প্রতিষ্ঠানে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কমে আসে।

ভোলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. লিটন আহম্মেদ বলেন,  বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি তদন্ত করে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

নিউ শাড়ি বিতানের মালিক শওকাত হোসেন বলেন, কীভাবে আগুন লেগেছে তা আমি বলতে পারছি না। ঈদকে সামনে রেখে দোকান ও গুদামে বিপুল পরিমাণ কাপড় ও শাড়ি মজুত করা হয়েছিল। আগুনে দোকানের প্রায় সব মালামাল পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আশপাশের দোকানদাররা জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুরো চকবাজার এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ও অন্য দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কার্যক্রম চলমান বলে জানা গেছে।