ফরিদপুরের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় সড়ক অবরোধ

ফরিদপুরের মধুখালীতে উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত ডিবি পুলিশের হাতে মাদকসহ গত শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার হন। এরপর ডিবি হেফাজতে রবিবার (২১ জুন) সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

সোমবার (২২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌর সদরের গোন্দারদিয়া গ্রামে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তর লাশ পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য চোখে পড়ে।

একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের প্রান্তর বাড়ীর সামনে মধুখালী পেঁয়াজ বাজার এলাকায় শত শত নারী-পুরুষ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে উভয় পাশে কয়েকশ যানবাহন আটকে পরে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী অবরোধ চলাকালীন সময়ে ডিবি হেফাজতে নিহত প্রান্ত হত্যার বিচার দাবি করেন। পরবর্তীতে নিহতের চাচা মির্জা ইমরুল কায়েশের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।

মহাসড়ক অবরোধ শেষে দুপুর ২টায় মধুখালী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। 

জানাজায় শত শত স্থানীয় মানুষ অংশ নেন। জানাজায় প্রান্ত হত্যার প্রকৃত কারণ ও বিচার দাবি করে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ সতেজ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম মানিক, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হায়দার আলী মোল্যা ও পরিবারের পক্ষে মরহুমের সেজ চাচা মির্জা ইমরুল কায়েশ। 

জানাজা-পরবর্তী মরহুমের লাশ পৌর সভার গোন্দারদিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়। 

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ডিবি পুলিশের একটি দল নিজ বাড়ী থেকে মাদকসহ প্রান্তকে গ্রেপ্তার করে। ২১ জুন সকাল আটটায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।