পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। গতকাল সোমবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশে প্রধানত তিন ধরনের পাটের চাষ করা হয়। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী দেশে প্রতিবছর প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টন পাটবীজের প্রয়োজন হয়। এর বিপরীতে সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার টন পাটবীজ উৎপাদনপূর্বক বিএডিসি সরবরাহ করে থাকে। ঘাটতি ৪ হাজার টন পাটবীজ ভারত থেকে আমদানি করে কৃষকদের চাহিদা পূরণ করা হয়। এতে প্রতিবছর প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের ব্যবহৃত পাটবীজের চাহিদা যথাসম্ভব দেশের অভ্যন্তরেই উৎপাদনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে মর্মে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী আমদানিনির্ভরতা পরিপূর্ণভাবে হ্রাসপূর্বক বিএডিসির বিদ্যমান সক্ষমতা বাড়িয়ে দেশের ভেতরে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভার সিদ্ধান্তের আলোকে পাটবীজ উৎপাদনের একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।