উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সেই ঐতিহাসিক জোড়া গোল এবং মহাজাগতিক রেকর্ডের পর ফুটবলবিশ্বে এখন কেবলই ‘সিআর সেভেন’-বন্দনা। তবে এই ৪১ বছর বয়সেও মাঠের ভেতরে রোনালদোর এই অতিমানবীয় ক্ষুধার রহস্যটা কী? সেই উত্তর দিয়েছেন তার সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ ও ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাক। ইংল্যান্ডের সাবেক ডিফেন্ডার রিও ফার্ডিনান্দের টকশোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাক রোনালদোর মানসিকতার ব্যবচ্ছেদ করতে গিয়ে বলেন, ‘ক্রিশ্চিয়ানোর একটি বাতিকগ্রস্ত মানসিকতা রয়েছে। সে বেঁচে থাকে কেবল নিজের রেকর্ড এবং পরিসংখ্যানকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য। সে প্রতিনিয়ত এর জন্যই খাটছে এবং আমি তাকে শতভাগ সম্মান করি।’ কাকা স্পষ্ট করেন যে, রোনালদোর এমন রেকর্ডমুখী ‘অবসেশন’ ড্রেসিংরুমের বাকিদেরও দারুণভাবে সংক্রমিত করে। আর এই ‘অবসেশন’-এর সুফল হাতেনাতে পেয়ে পর্তুগাল শিবিরে এখন স্বস্তির বাতাস। প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে গোলহীন ড্রর পর যে তীব্র সমালোচনা হচ্ছিল, তা এক তুড়িতে উড়িয়ে দিয়েছেন অধিনায়ক। রোনালদোকে ম্যাচের তৃতীয় গোলটি বানিয়ে দেওয়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা ব্রুনো ফার্নান্দেজ অধিনায়কের ফর্মে ফেরায় গভীর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। প্রিমিয়ার লিগের সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে রেকর্ড ২১টি অ্যাসিস্ট করে ‘প্লেয়ার অব দ্য সিজন’ হওয়া ৩১ বছর বয়সী ব্রুনো বলেন, ‘আমাদের ক্যাপ্টেনের গোল পাওয়াটা খুব দরকার ছিল। আক্রমণভাগে তিনিই আমাদের মূল ভরসা। তিনি গোল পাওয়ায় আমরা সবাই ভীষণ খুশি। সবচেয়ে বড় কথা পর্তুগাল গোল পাচ্ছে।’ নিজের গোল না পাওয়া নিয়ে ব্রুনোর সংযত মন্তব্য, ‘আমি এখানে ফরোয়ার্ডদের বল বানিয়ে দিতে এসেছি। আমি বিশ্বাস করি আমার গোল করার সঠিক সময়টাও আসবে, ঠিক যখন দলের আমাকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে।’