সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যাচেষ্টা মামলায় শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ এবং সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে এ মামলায় একজনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যদ- দিয়েছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় প্রদান করেন।
আদালতের পিপি আবুল হোসেন জানান, রায় ঘোষণার সময় আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, জি কে গউছসহ মামলার আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাসের আদেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে মামলার আরেক আসামি হাফিজ সৈয়দ নাঈম আহমদ নিমুকে আদালত মৃত্যুদ- দিয়েছে। মৃত্যুদ-ে দ-িত নাঈম আহমদের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর পশ্চিমপাড়া লম্বাহাটি গ্রামে। মৃত্যুদ-ের পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদ- করা হয়েছে।
মামলায় খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন মুহিব উল্লা ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ ওরফে অভি, মুফতি মঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ ওরফে খাজা, মো. আব্দুল মাজেদ বাট ওরফে ইউসুফ বাট, মো. নাজিউর রহমান নাজু ওরফে নাজমুল হক নাজু ওরফে নাজিমুল হক ও মাওলানা তাজ উদ্দিন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী বোরহান উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘মামলায় মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজনের আগেই অন্য মামলায় মৃত্যুদ- হয়েছে। বাকি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। শুধু আসামি হাফিজ সৈয়দ নাঈম আহমদ বিরুদ্ধে তিনটি ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তার মৃত্যুদ- ঘোষণা করে।’