নিহত সেজুঁতির বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া আট বছর বয়সী শিশু সেজুঁতির মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য উদঘাটনে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান।

শুক্রবার (২৬ জুন) নিহত সেজুঁতির বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতকালে  তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।

মন্ত্রী বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তার বিচারিক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

একপর্যাযে তিনি মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে নিহত সেজুঁতির পরিবারের হাতে এক লাখ টাকা নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে উপজেলা অফিসপাড়া এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।

এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন।

গত ২০ জুন বিকেলে সখীপুর পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফালু চন্দ্র মালুর আট বছর বয়সী মেয়ে সেজুঁতি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের দুইদিন পর ২২ জুন উপজেলা পরিষদ চত্বরের ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সরকারি বাসভবন-সংলগ্ন উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে সেজুঁতির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।