ভোলার দৌলতখান উপজেলায় পুকুর থেকে ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকার দাবি তুলে তার পরিবার মৃত্যুর ঘটনাকে রহস্যজনক বলে অভিযোগ করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবু শাহাদ ওই এলাকার বাসিন্দা মোসলে উদ্দিনের ছেলে।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে বাড়ির উঠানে খেলছিল আবু শাহাদ। কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পুকুর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হলেও তখন সে আর জীবিত ছিল না।
পরিবারের দাবি, শিশুটির মুখে আঘাতের চিহ্ন থাকায় তারা ঘটনাটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মানতে পারছেন না। নিহতের মা কহিনুর বেগম অভিযোগ করে বলেন, খেলার সময় একই গ্রামের রাকিব নামে এক ব্যক্তি তার ছেলেকে ধাওয়া করেছিলেন। পরে পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় শিশুটির মুখে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান তারা।
ঘটনার পর নিহত শিশুর বাড়িতে শোকের মাতম নেমে আসে। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর মধ্যেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে। ঘটনার সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।