২৭ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪০ অলআউট বাংলাদেশ

টানা ৪টি টেস্ট জিতে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে আছে বাংলাদেশ দল। এখন আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ নিয়েই যত ভাবনা নাজমুল হোসেন শান্তদের। তার আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলতে নেমেছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই ম্যাচকে অজিদের বিপক্ষে টেস্টের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছেন বলে জানান সফরকারী অধিনায়ক। 

অথচ চলতি বছর ঘরের মাঠে প্রথমবার লাল বলের ক্রিকেট খেলতে নামা জিম্বাবুয়ের পেস অ্যাটেকে দিশেহারা বাংলাদেশের ব্যাটাররা, প্রথম ইনিংসে প্রথম দিনের দুই সেশনের আগেই অলআউট হয়েছে ১৪০ রানে। যেখানে শেষ ২৭ রানেই হারায় ৮ উইকেট। এর মধ্যে মমিনুল হক একাই ৬০ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া দুই অঙ্ক স্পর্শ করেন সাদমান ইসলাম (২০) ও শান্ত (১৯)। 

বাংলাদেশের আউট হওয়া ১০ ব্যাটারের মধ্যে ৮ জনই উইকেটের পিছনে ক্যাচ দেন। একমাত্র মুশফিকুর রহিম বোল্ড হয়ে থামেন।

টস হেরে ব্যাট ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ২ রানে আউট হন ওপেনার মাহমুদুল হাসান। যদিও আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে খুশি ছিলেন না তিনি। রিভিউ পদ্ধতি না থাকায় আউট মেনে নিয়েই ফিরতে হয় তাকে। মমিনুলের সঙ্গে ৩০ রানের জুটির পর আরেক ওপেনার সাদমানও একই পথ ধরেন। তৃতীয় উইকেটে শান্তকে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন মমিনুল, গড়েন ৭৭ রানের জুটি। এর মধ্যে ফিফটি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। 

মমিনুল নিউম্যান নিয়ামুরির দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হওয়ার পরই ধসে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগ। রিচার্ড এনগারাভা, ব্লেসিং মুজারাবানি এবং ব্র্যাড ইভান্সের বাউন্সার ও গতি সামলাতে না পেরে ব্যাট চালিয়ে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দেন সফরকারী ব্যাটাররা। উইকেটরক্ষক টাফাডজাওয়া সিগা একাই নেন ৫টি ক্যাচ। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বাধিক ৪ উইকেট পান ডানহাতি পেসার নিয়ামুরি।