আর মাত্র একদিন পরেই শুক্রবার (৩ জুলাই) এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন ঘিরে এফডিসিতে চলছে দুই প্যানেলের প্রচারণা। এবারের নির্বাচনে একটি প্যানেলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করছেন আরমান ও রুমানা ইসলাম মুক্তি, অন্য প্যানেলে আছেন শিবা শানু ও জয় চৌধুরী। সমিতির নির্বাচন ঘিরে বর্তমানে জমজমাট বিএফডিসি। তবে এবারের নির্বাচনে দুই প্যানেলে নেই তেমন কোনো তারকাশিল্পী। কেউ কেউ বলছেন, এসব চলচ্চিত্র সংগঠন সিনেমার কোনো কাজে আসে না। যেসব শিল্পী বেকার, তারাই এ নির্বাচনে অংশ নেন। তারকাদের অনেকেই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্যপদও নেননি।
আলীরাজ, নূতন, রোজিনাদের পাশাপাশি দেখা মিলছে নাসরিন, জ্যাকি আলমগীর, হারুণ কিসিঞ্জার, ইলিয়াস কোবরাদেরও। প্রার্থীদের উপস্থিতি ছাড়াও নাচ-গান এবং হই-হুল্লোরে মাঝেই-মধ্যেই শামিল হচ্ছেন সমিতির বর্তমান সভাপতি মিশা সওদাগর, চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ ও ওমর সানী। সেই সঙ্গে সংবাদকর্মী ও ইউটিউবারদের ভিড়। যেকোনো শিল্পীকে দেখা মাত্রই তারা ঝাঁপিয়ে পড়ছেন তাদের সাক্ষাৎকার ও মন্তব্য নিতে। এরইমধ্যে বিভিন্ন শিল্পীর বক্তব্য নিয়েও চলছে জোর চর্চা। থেমে নেই পাল্টা-পাল্টি বক্তব্যও।
তবুও নির্বাচন নিয়ে ভিন্ন এক আমেজ ফুটে উঠেছে। নির্বাচন উপলক্ষে এক ধরনের মেলা বসেছে এফডিসিতে। ক্যানটিনেও জমে উঠেছে বেচা-কেনা। ক্যান্টিন কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে প্রতিদিন এই ক্যানটিনে এক-দুই হাজার টাকার বিক্রি হলেও বর্তমানে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে প্রতিদিন ১৫-২০ হাজার টাকার বিক্রি হচ্ছে।
তারা জানান, ‘তবে এবারের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে তেমন কোনো গ্ল্যামার মুখ দেখতে পেলাম না। তবে আশা করব, শিল্পীরা এমন কাউকে নির্বাচন করবেন, যারা এই সময়ে কাজ করতে পারেন। চলচ্চিত্রের মানুষের সঙ্গে যাদের ভালো সম্পর্ক আছে, তাদের নির্বাচিত করলে চলচ্চিত্রের ভালো হবে বলে আশা করছি।’