কবিতা

ঘুঘু-ডাকা ঘর

এইখানে এই সন্ধ্যা গাছের নিচে
হরীতকী মূল বেদনায় সিঞ্চিত
আরতি আকাশ লাল হয়ে এলে পড়ে
কিশোরী মেয়েটা রোজ তাতে জল দিত

একটা বাদুর মেলে দিল পাখসাট
শূন্যে ওড়ার পথ আছে কিছু বাকি
রহস্যঘন এমন অন্ধকারে
কে-ই-বা ম্যামাল কারে তুমি বলো পাখি!

একদিন কেউ তুলে নিত প্রিয় জল
লতা গুল্মতে ঢেকে গেছে কুয়ামুখ
আজ কেউ নেই পোড়োবাড়িটাকে ঘিরে
ঘনিয়েছে মেঘ, বৃষ্টিও উৎসুক।

ভিজে যাবে সব, শেষ পদরেখাটাও
মুছে যাবে বুঝি ভিটির পরত থেকে
শুধু শোনা যায় একা এক তক্ষক
অলুক স্মৃতির মতো ওঠে ডেকে ডেকে

একটি ঘরের দুয়ার ভাঙার খিল
বদ্ধ রয়েছে লুপ্ত প্রত্নদিনে
তুমি কি আসবে, বাসবে কখনো আর
বলবে আমাকে পারো যদি নাও চিনে