মেক্সিকোর বিপক্ষে ভায়াগ্রা খেয়ে নামবেন কেইন-বেলিংহামরা!

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ১৬-এর ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও মেক্সিকো। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকোর বিখ্যাত 'এস্তাদিও আজতেকা' স্টেডিয়ামে। তবে মাঠের লড়াইয়ের চেয়েও এখন বড় আলোচনা তৈরি হয়েছে ইংল্যান্ড দলের একটি আইনি কৌশল নিয়ে। মেক্সিকোর পাতলা বাতাস ও অক্সিজেনের অভাব মোকাবিলা করতে ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা আইনিভাবেই 'ভায়াগ্রা' (সিলডেনাফিল) ব্যবহার করতে পারবেন।

ভায়াগ্রার মূল উপাদান হলো সিলডেনাফিল। এটি ফুসফুসের রক্তনালী প্রসারিত করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। তাত্ত্বিকভাবে, পাহাড় বা উঁচু জায়গায় যেখানে অক্সিজেন কম থাকে, সেখানে এই ওষুধটি শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে পারে। ফলে খেলোয়াড়দের ক্লান্তি কিছুটা কম হতে পারে।

বিশ্ব ডোপিং বিরোধী সংস্থা তাদের ২০২৬ সালের নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকায় এটিকে রাখেনি। তাই খেলাধুলার নিয়মানুযায়ী এটি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বৈধ।

এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,২০০ মিটার (৭,৩৫০ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত।এত উঁচুতে বাতাস পাতলা থাকে। ফলে যারা এই আবহাওয়ায় অভ্যস্ত নয়, তাদের দ্রুত দম ফুরিয়ে যায়, ক্লান্তি আসে এবং মাথা ঘোরার মতো সমস্যা হতে পারে।

মেক্সিকোর খেলোয়াড়রা ছোটবেলা থেকেই এই আবহাওয়ায় খেলে অভ্যস্ত। ফলে তারা এখানে বাড়তি শারীরিক সুবিধা পায়। এই মাঠে খেলা ৮৯টি ম্যাচের মধ্যে মেক্সিকো হেরেছে মাত্র ২টি।

ইংল্যান্ড দলের কোচ থমাস টুখেল এবং মেডিকেল টিম এই উচ্চতার সমস্যা নিয়ে কাজ করছেন। তবে চিকিৎসকদের মতে, ভায়াগ্রা সাধারণত ৩,৮০০ মিটারের বেশি উঁচুতে ভালো কাজ করে, ২,২০০ মিটারে এর কার্যকারিতা কতটা হবে তা নিশ্চিত নয়। এছাড়া এর মাথাব্যথার মতো কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে।

তাই শেষ পর্যন্ত কোনো ওষুধের ওপর নির্ভর না করে, আগেভাগে মেক্সিকো গিয়ে ওখানকার আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নেওয়া এবং সঠিক অনুশীলনের ওপরই বেশি জোর দিচ্ছে ইংল্যান্ড দল। এই বিশ্বকাপে কানসাস সিটিতে ক্যাম্প করেছে ইংল্যান্ড। এবং ম্যাচের আগে ভেন্যুতে গিয়ে খেলে আবার ফিরে আসছে কানসাস সিটিতে।