বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ পার্কে একটি মেলা পরিদর্শনের পর গতকাল শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এ গুরুত্ব আরোপের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ইতিহাস আরও বেশি করে তুলে ধরতে এবং দুই দেশের মধ্যে জনগণের বোঝাপড়া তৈরিতে সহায়তা করতে চাই।’
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘ফ্রিডম ২৫০’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ‘আমেরিকান ফেয়ার’ শীর্ষক এ মেলার আয়োজন করা হয়। সেখানে দেশটির ২৫০ বছরের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ বিভিন্ন প্রদর্শনী ও স্টলের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আজ (৪ জুলাই) আমাদের আসল জন্মদিন। এখানে আসতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত। আমরা বাংলাদেশজুড়ে দারুণভাবে উদযাপন করছি।’
আমেরিকার গল্প বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে, এমনটি উল্লেখ করে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, দূতাবাস চায় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস, আদর্শ ও মূল্যবোধ বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ ও সংস্কৃতিকে আরও ভালোভাবে জানতে চাই।
রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছরের ইতিহাস কেবল তাদের নিজেদের নয়, এটি বিশ্বের অনেক মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামও সেই ধারার অনুপ্রেরণার অংশ।
রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি মনে করেন এই উদযাপনগুলো আমেরিকার স্বাদ বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি দারুণ সুযোগ।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এর আগে ‘আমেরিকা সপ্তাহ ২০২৬’ উদযাপনের ঘোষণা দেয়। দেশটির সেনাবাহিনীর ২৫তম পদাতিক ডিভিশনের বাদক দল মেলায় সংগীত পরিবেশন করে।
গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, গুলশান এলাকায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস রয়েছে। দূতাবাসগুলোর নানা আয়োজনে সহযোগিতার মাধ্যমে দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে সোসাইটি কাজ করতে চাই।