এক নজরে

নেইমারকে চিঠি

নরওয়ের কাছে হেরে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন নেইমার জুনিয়র। এই সিদ্ধান্তে হতাশ ভক্তদের মতো তার বাবা নেইমার সিনিয়রও ছেলেকে খেলা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি খোলা চিঠি লিখে নেইমারের শৈশবের স্বপ্ন, কঠোর পরিশ্রম ও সাফল্যের কথা স্মরণ করেন তিনি। জীবনের উত্থান-পতনে পাশে থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নেইমারের উদ্দেশে বলেন, ‘ছেলে, ফুটবল খেলে যাও। পায়ে বল থাকার সেই আনন্দটা আবার খুঁজে নাও। মাঠের সেই হাসিটা আবার ফিরে পাও। আবারও মানুষকে আনন্দ দাও।’

বালোগুন সান্ত্বনা

মাঠের বাইরের রাজনৈতিক বিতর্ক ও ফিফার বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগুন। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখার পরও দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে তার এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হয়। বালোগুন খেলার পরও বেলজিয়ামের কাছে ৪-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচ শেষে বালোগুন জানান, সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বিতর্ক হওয়া স্বাভাবিক, তবে এতে তার কোনো ভূমিকা ছিল না। প্রতিপক্ষ বেলজিয়ামকে প্রশংসা করে অভিনন্দন জানান তিনি। তার সৌজন্যে মুগ্ধ হয়ে বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া ‘দোষ তোমার নয়’ বলে বালোগুনকে সান্ত্বনা দেন।

মার্তিনেজের পদত্যাগ

স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। এটাই ছিল দলটির তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ। টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর আরেকটি ধাক্কা খেয়েছে তারা। কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন রবার্তো মার্তিনেজ। তিনি জানান, পর্তুগালের ডাগআউটে এটিই ছিল তার শেষ ম্যাচ এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে সরে যাওয়াই সঠিক সিদ্ধান্ত। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া মার্তিনেজের অধীনে পর্তুগাল ৪৫ ম্যাচে ৩২টি জয়, ৬টি ড্র ও ৭টি ম্যাচ হারে। বিদায়ের আগে মার্তিনেজ বলেন, ‘একটি হার পুরো দলকে ব্যর্থ প্রমাণ করে না।’

প্যারাগুয়েতে ক্ষোভ

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর দলটির অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিয়ে বর্ণবাদী মন্তব্য করেন প্যারাগুয়ের নারী সংসদ সদস্য সেলেস্তে আমারিল্লা। এমবাপ্পেকে ‘ঔপনিবেশিক ক্যামেরুনিয়ান’ বলে কটাক্ষ করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। প্যারাগুয়ে সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, এমন মন্তব্য দেশটির অবস্থানের প্রতিফলন নয় এবং তা মানব মর্যাদা ও সম্প্রীতির পরিপন্থী। এমবাপ্পেও সামাজিক মাধ্যমে নিন্দা জানান। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এমবাপ্পে ও ফরাসি দলের পাশে থাকার ঘোষণা দেন।