গার্ভেজ ট্রাকের অভাবে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভার বর্জ্য অপসারণে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে এ অবস্থা চলছে বলে জানিয়েছে পৌরবাসী।
পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, ১১ বর্গ কিলোমিটারের এই পৌরসভায় প্রতিদিন ৪০ টন বর্জ্য অপসারণ করতে হয়। এপৌর সভায় একটি রোডার (ভেক) গাড়ি ও তিনটি গার্ভেজ ট্রাক দিয়ে প্রতিদিনের বর্জ্য অপসারণের কাজ চলতো। কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে পৌরসভার তিনটি গার্ভেজ ট্রাক ও একটি রোডার গাড়ি, একটি অ্যাম্বুলেন্সসহ পৌর সভার নিজস্ব বেশ কিছু গাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পর নগর পরিচ্ছন্নতা কাজে অচলাবস্থা দেখা দেয়। জুলাই পরবর্তীতে এ পৌরসভার একটি গার্ভেজ ট্রাক মেরামত করে বর্জ্য অপসারণের কাজ পরিচালনা করা গেলেও এ বছর জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে গার্ভেজ ট্রাকটি অচল হয়ে গেলে র্বজ্য অপসারণ কাজে স্থবিরতা দেখা দেয়।
এবিষয়ে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ জানান, পৌরসভার বর্জ্য অপসানের কাজে নিয়জিত পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ তিনটি গার্ভেজ ট্রাক ও একটি রোড়ার গাড়ির মধ্যে একটি গার্ভেজ ট্রাক মেরামত করে এতদিন পৌর এলাকার ময়লা আর্বজনা সাফ করা গেলেও বর্তমানে গার্ভেজ ট্রাকটি নষ্ট থাকায় ভাড়া করা ট্রাকে কোনোভাবে আর্বজনা সাফ করতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। খুব দ্রুত অচল গার্ভেজ ট্রাকটি মেরামত করা সম্ভব না হলে পৌর সভার আর্বজনা পরিষ্কার কাজ বন্ধ হয়ে যাবে।
তিনি জানান, যে রোডার (ভেক) গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেটি মেরামতের অযোগ্য হয়ে পড়ায় অর্থাভাবে সেটিও কেনা যাচ্ছে না। এ গাড়িটি কিনতে গেলেও ৫০ লাখ টাকার প্রয়োজন। তবে জরুরিভাবে একটি অথবা দুইটি গার্ভেজ ট্রাক এ পৌর সভার জন্য জরুরি হয়ে পরেছে।
এব্যাপারে শাহজাদপুর পৌরসভার প্রশাসক, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন বলেন জরুরি মিটিং করা হয়েছে, নতুন ট্রাক কেনার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বর্তমান খারাপ ট্রাকটি সংস্কারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে অতিসত্বর সমস্যাটি নিরসনের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।