অধস্তন আদালতের মালখানা ও থানায় থাকা জব্দ মালামাল সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ১২ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এ কমিটিকে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছে হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্তে পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বুধবার (৮ জুলাই) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
২০২২ সালে পাঁচ আইনজীবীর করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ১৮ জানুয়ারি হাইকোর্ট আদালতের মালখানা ও থানায় থাকা জব্দ মালামাল কীভাবে সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা করা হয়,তা জানতে চেয়েছিলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিবেদন আজ হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জব্দ করা আলামতের বিষয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দেশের সব থানার উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং অধস্তন আদালতের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তিনি বলেন, ঢাকাসহ দেশের সব আদালত ও থানা এলাকায় জব্দ করা মালামাল বছরের পর বছর পড়ে থাকতে দেখা যায় এবং তা নষ্ট হয়। ফলে এগুলো রাষ্ট্রের কোনো কাজে লাগে না, প্রকৃত মালিকও তা ব্যবহার করতে পারেন না।