সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে চাপের মুখে বাংলাদেশ। হারারেতে আজ আগে ব্যাট করে বেন কারেনের সেঞ্চুরি ও ব্র্যাড ইভান্সের ৩৮ বলে ৫৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। প্রথম ওয়ানডেতে ১৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ২৫ রানে হারে সফরকারীরা। এর আগে ব্যাটিং-দৈন্যে একমাত্র টেস্ট মাত্র আড়াই দিনে হারে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সে হিসেবে পেসারদের সহায়ক উইকেটে এবার ওয়ানডে সিরিজ বাঁচাতে কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে বাংলাদেশের ব্যাটারদের।
প্রথম ওয়ানডের মতো আজও টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে বল হাতে ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ দল। ইনিংসের প্রথম ওভারে ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে (০) বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। তৃতীয় ওভারে ইনোসেন্ট কাইয়াকে (৪) ফেরান এই ডানহাতি পেসার। এই চাপ সামলানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হন ক্রেইগ আরভিন (৯), তাকে থামান নাহিদ রানা। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে এই তিন ব্যাটারকে হারিয়ে ৩৭ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। অবশ্য অন্য প্রান্ত ধরে খেলেন কারেন। চতুর্থ উইকেটে ওয়েসলি মাধেভেরের সঙ্গে ৩২ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন তিনি। তবে মাধেভেরেকে (১৫) থিতু হতে দেননি মেহেদী হাসান মিরাজ।
পঞ্চম উইকেটে সিকান্দার রাজাকে নিয়ে সফরকারী বোলারদের শাসন করেন কারেন। এই জুটিতে আসে ৬৮ রান। বাংলাদেশ অধিনায়কের দ্বিতীয় শিকার হয়ে রাজা (৩৩) সাজঘরে ফিরলেও বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় স্বাগতিকরা। এরপর ক্লাইভ মাডান্ডে দ্রুত আউট হলেও ব্র্যাড ইভান্সকে সঙ্গে নিয়ে দলের রান বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি তুলে নেন কারেন। ওয়ানডেতে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
সপ্তম উইকেটে দুজনের ৯৯ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটির পাশাপাশি কারেনের ১৩৫ বলে ১১১* রানের ইনিংসের সঙ্গে ইভান্সের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটির (৫৮*) সৌজন্যে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন ও মিরাজ ২টি করে উইকেট নেন। মুস্তাফিজুর রহমানের জায়গায় একাদশে ফেরা শরিফুল ইসলাম ৫০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন।