উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক শক্তি ‘গুণগত ও পরিমাণগত’ উভয় দিক থেকেই আরও জোরদার করবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়াকেন্দ্রিক সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা ও দায়িত্বও বাড়ানো হবে। গতকাল শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে উত্তর কোরিয়ার ওপর ব্যাপক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধ শান্তিচুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ায় উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে। সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের সমঝোতামূলক উদ্যোগ বারবার প্রত্যাখ্যান করার পর এ ঘোষণা এলো। পিয়ংইয়ং সিউলকে তাদের ‘সবচেয়ে বৈরী’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং নিজেকে ‘অপরিবর্তনীয়’ পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানায়, বৃহস্পতিবার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের বর্ধিত বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে ‘গুণগত ও পরিমাণগত’ উভয় দিক থেকেই পারমাণবিক শক্তি জোরদার করার মতো পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এতে দক্ষিণ কোরিয়াসংক্রান্ত অভিযানের দায়িত্বে থাকা পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জেনারেল রিকনেসান্স অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর কার্যক্রম ও দায়িত্ব ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানানো হয়।