গাজীপুরের শ্রীপুরে কার্ভাডভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন। এ সময় তাদের শিশুসন্তানও গুরুতর আহত হয়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ২ নম্বর সিঅ্যান্ডবি বাজার এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে দুটি মরদেহ উদ্ধার করে। তবে ঘাতক গাড়ি ও চালককে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
দুর্ঘটনায় নিহত রাকিব হাসান বেপারী (৩৫) পিরোজপুর সদর উপজেলার উত্তর রানীপুর গ্রামের সেকান্দার আলী বেপারীর ছেলে। তিনি পৌরসভার কেওয়া পূর্বখ- গ্রামের ডেনিম্যাক পোশাক কারখানায় মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম বিথী আক্তার (২৬)। তারা দুজনেই ঘটনাস্থলে মারা যান।
মাওনা হাইওয়ে থানার এসআই জুয়েল বর্মন জানান, দুর্ঘটনার পর ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি পালিয়ে গেছে। সেটি শনাক্ত এবং চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি কামরুজ্জামান জানান, নিহতের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। আপাতত পুলিশ হেফাজতে মরদেহ দুটি রাখা আছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ইঞ্জিনচালিত ট্রলির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে চায়না পারভিন নামে (৩৫) এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ সময় নিহতের স্বামী মোটরসাইকেলচালক চাঁন মিয়াও আহত হন। তাদের বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রাখালগাছি গ্রামে। কাশিয়ানী উপজেলার ব্যাসপুর হয়ে জয়নগর বাজারগামী পাকা রাস্তার আলী হাসান তুল্কি মাদ্রাসার সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতের স্বামী ফরিদপুরে পুলিশে চাকরি করেন। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে বোয়ালমারী গ্রামের বাড়ি থেকে ফরিদপুর যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলটি বোয়ালমারীর দিক থেকে ফরিদপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে কাশিয়ানীর ব্যাসপুর-জয়নগর সড়কের আলী হাসান তুল্কি মাদ্রাসার সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলির সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলের আরোহী স্বামী-স্ত্রী সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে চায়না পারভিনের মৃত্যু হন।
কাশিয়ানী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয়দের সহায়তায় আহত চাঁন মিয়াকে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।