বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় পৃথক দুটি অভিযানে মিয়ানমারের ১১ নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি। আটককৃতদের মাঝে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিন নারীকে সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩৪ বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের গাছবুনিয়া এলাকায় সীমান্তের ৪১ নম্বর পিলার থেকে বাংলাদেশের প্রায় চার কিলোমিটার অভ্যন্তর থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন মংবা তংচংগা, মং এম, কিংলা থুয়াং, রুপার, থাইংসা মং, তুলি, তানতান নাইং ও মংতা নাইং। বিজিবি জানায়, তাদের কারও কাছেই বাংলাদেশে প্রবেশের বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা বা অন্য কোনো ভ্রমণ নথি ছিল না। তারা সবাই মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলার ঢেকিবুনিয়া এলাকার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে রেজুপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মো. মিরাজ আলী ভূঁইয়া বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ফরেনার্স অ্যাক্ট, ১৯৪৬-এর ১৪ ধারায় মামলা করেছেন। পরে আটক আটজনকে আদালতে পাঠানো হয়।
এদিকে এর আগে একই দিন দুপুরে ৩৪ বিজিবির গর্জনবুনিয়া বিওপির সদস্যরা গর্জনবুনিয়া এলাকার লেড়ায়ার তংচইঙ্গা বাড়ি থেকে আরও তিন মিয়ানমারের নারীকে আটক করেন। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাদের সীমান্তের ৩৭/২ নম্বর পিলারের বাইশফাঁড়ি বিওপির দায়িত্বাধীন আমবাগান এলাকা দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়।