কবিতা

শূন্যের জ্যামিতি ও কিছু নিষিদ্ধ ফ্র্যাক্টাল

নিশ্বাস ঘামছে। দুই গোলার্ধের সন্ধিস্থলে নোনা ফ্র্যাক্টাল-কুয়াশা-উষ্ণ
আলতো অবিশ্বাস; বারান্দায় পোষা ক্যাকটাস গিলছে বিকেলের শেষ হলুদ
বিষ, যেন প্রতিটি কাঁটা পূর্ববর্তী ভুলের যোগফল।
করিডোর শেষে সেই দরজা; স্পর্শ করলেই প্রান্তগুলো হারিয়ে যায় অন্য কোন
জন্মের ভগ্নাংশ-বিলাপে। কৈবল্য-চোখ প্রশ্নহীন-আয়নার ওপাশে কার
গ্রীবায় এই কামড়ের দাগ? যা দেখছ, তা দেখছে তোমাকেই। সবটাই কি
নিত্য-অস্তিত্ব, নাকি শুধু জং-ধরা কোজাগরী পূর্ণিমার প্রতিফলন?
পায়ের নিচের মেঝেটা হঠাৎ দূরত্বে হেঁটে যায়—সামনে খাড়া অস্তিত্বের ঢাল।
পিছলে গেলেই কি আকাশ, নাকি আবার সেই একই বাসি জলের গ্লাস, যার
তলানিতে ভাসছে নিজেরই মুখ? দরজাটা এবার ফেটে যায়—ভেতর থেকে
ঝরে পড়ে রক্তমাখা ডালিমের বীজ-চিৎকার।