ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বেনাপোলে শহীদ আব্দুল্লাহর কবর জিয়ারত, দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বেনাপোল পোর্ট থানার বড়আঁচড়া গ্রামে শহীদ আব্দুল্লার বাড়িতে যান এবং সেখানে তার জিয়ারত করেন ও দোয়া করেন। এ সময় তারা আব্দুল্লাহর মা-বাবা, ভাই-বোন ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করেন এবং পরিবারের খোঁজ নেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার বংশালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন আবদুল্লাহ। একই দিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে শত শত সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থী নিহত হন।
প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যান আব্দুল্লাহ। রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন আবদুল্লাহ। আবদুল্লাহ বেনাপোল পোর্ট থানার বড়আঁচড়া গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছোট ছেলে। তিনি ঢাকায় বোনের বাসায় থেকে লেখাপড়া করতেন।
জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ এবং গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার দিন হিসেবে ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস ঘোষণা করা হয়। গত বছর থেকে ১৬ জুলাই ‘ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।