দৈনিক দেশ রূপান্তরে ‘এতিমের জন্য বরাদ্দ অর্ধেক চাল উধাও’ শিরোনামে খবর প্রকাশের পর সরকারি বরাদ্দের এক টন করে চালের টাকা ফেরত পেল মতলব উত্তর উপজেলার ৪৬ এতিমখানা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দায় স্বীকার ও ক্ষমা চেয়ে ও প্রত্যেক এতিমখানার জন্য ১০ থেকে ১২ হাজার করে টাকা পৌঁছে দিলেন উপজেলা যুবদল নেতা মনির হোসেন মোল্লা।
এসময় বেশ কয়েকটি এতিমখানার কর্তৃপক্ষ এর জন্য সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন।
এবিষয়ে ভিডিও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে কয়েকটি এতিমখানায় কর্তৃপক্ষ জানান, তাদের কাউকে (এতিমখানায়) দিয়েছিল ১৫ হাজার কাউকে দিয়েছিল ১৭ হাজার টাকা। কোন এতিমখানায় ১ হাজার কেজি (১ টন) চালের বিপরীতে দিয়েছে ৫শ কেজি কোথাও দিয়েছে ৬শ কেজি চাল। অর্থাৎ, যাকে যা দিয়ে বিদায় করতে পেরেছে তাই করেছে। কিন্তু সাংবাদিকদের সহযোগীতায় যুবদল নেতা মনির হোসেন মোল্লা দায় স্বীকার ও ক্ষমা চেয়ে আরও ১০-১২ হাজার করে টাকা পৌঁছে দিতে বাধ্য হয়েছেন। এর কারণে তারা সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এছাড়া এতিমদের চাল নিয়ে আর কোনো রকমের অন্যায় না হয় সেজন্য তারা স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এবিষয়ে উপজেলার সাড়ে পাঁচানী হোসাইনীয়া এতিমখানার সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি নুরুল আমীন মাস্টার জানান, তিনি ক্ষমতাসীন দলের এতো বড় পদে ছিলেন তারপরও এ বিষয়টি যারা নিয়ন্ত্রণ করছেন তাদেরকে এতিমদের দোহাই দিয়ে বিভিন্ন অনুরোধ করলেও কোন সুফল পাননি। কিন্তু সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেই ক্ষমতাধররা এতিমখানায় গিয়ে প্রাপ্য টাকা পৌঁছে দেওয়ার কারণে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।
এবিষয়ে অভিযুক্ত যুবদল নেতা মনির হোসেন মোল্লার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে উপজেলার এতিমখানায় গিয়ে দায় স্বীকার ও ক্ষমা চেয়ে টাকা দিয়ে আসার বিষয়ে তিনি অস্বীকার করেন।