বুলাওয়ের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতেই আগে ব্যাট করা দল বড় সংগ্রহ পায়। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ে ১৭০ ও দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ১৮৬ রান তোলে। আগের দুই ম্যাচের উইকেটের তুলনায় আজ সিরিজ-নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে আরও বেশি ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে খেলা হচ্ছে বলে জানান ধারাভাষ্যকার টিনো মাওয়োয়ো ও আতহার আলী। টসের আগে উইকেট দেখে দুজন প্রত্যাশা করেনয়, এ ম্যাচে আগে ব্যাট করা দল ২০০ রানের পুঁজি পাবে। উইকেটে থিতু হলে ব্যাটারদের জন্য রান করা সহজ হবে।
তবে স্বাগতিকদের ব্যাটারদের কাজটা কঠিন করে তোলেন সফরকারী বোলাররা। ডিওন মেয়ার্সের ফিফটির পরও তাসকিন আহমেদ, শেখ মেহেদী হাসানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান তুলেছে জিম্বাবুয়ে। সে হিসেবে লক্ষ্যটা নাগালের মধ্যেই পেয়েছে বাংলাদেশ দল।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি জিম্বাবুয়ের। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার টাডিওয়ানাশে মারুমানিকে (৪) আউট করেন মেহেদী। তার আগে ফিরতে পারতেন বেনেট। তবে ইনিংসের প্রথম ওভারে শূন্য রানে তানজিদ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান তিনি। সুযোগ পেয়ে দ্বিতীয় উইকেটে মায়ার্সের সঙ্গে ৭১ রানের জুটিতে ব্যক্তিগত ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন এই ওপেনার। তাকে থামান সাইফউদ্দিন।
তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক সিকান্দার রাজার সঙ্গে ৩০ রানের জুটির মাঝে ফিফটি পূর্ণ করেন মায়ার্স। তবে সুবিধা করতে পারেননি রাজা। মাত্র ৩ রান করে রিশাদ হোসেনের শিকারে পরিণত হন তিনি। রায়ান বার্লও (৭) দায়িত্ব নিতে পারেননি। তাকে আউট করেন এই সফরে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ব্র্যান্ড ইভান্স (১) রান আউট হলে বড় রানের স্বপ্ন কার্যত শেষ হয়ে যায় স্বাগতিকদের।
যদিও একপ্রান্ত ধরে রাখেন মায়ার্স। তার ৫৩ বলে ৭৩ রানের ইনিংসের পরেও দেড় শ রানের আগে থেমেছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে সর্বাধিক ২ উইকেট নেন মিডিয়াম পেসার সাইফউদ্দিন।