তবে বিবিসি-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ফিফার তথ্যপ্রযুক্তি সিস্টেমে ভুলবশত পারেদেসকে রেফারি স্ল্যাভকো ভিনচিচ কর্তৃক লাল কার্ড দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ফিফা নিজেদের 'কমেন্টেটর ইনফরমেশন সিস্টেম' থেকে সেই লাল কার্ডের তথ্যটি মুছে ফেলে এবং নিশ্চিত করে যে ম্যাচ শেষে পারেদেসের বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ কোনো লাল কার্ড বা আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ম্যাচ শেষে তাৎক্ষণিক লাল কার্ড না দেওয়া হলেও পুরো ঘটনাটি ধামাচাপা পড়ছে না। ফিফা ইতোমধ্যে একটি শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করেছে এবং মেটলাইফ স্টেডিয়ামের শেষ বাঁশি বাজার পর ঠিক কী ঘটেছিল তার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে একজন ডিসিপ্লিনারি ও এথিক্স প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে।
-
খেলোয়াড়দের শাস্তি: অনভিপ্রেত ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে কোনো খেলোয়াড় বা কোচ দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের আন্তর্জাতিক ম্যাচে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।
-
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন: দলগত বিশৃঙ্খলা ও খেলোয়াড়দের অনিয়ন্ত্রিত আচরণের কারণে আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্থাকেও বড় অংকের আর্থিক জরিমানা করা হতে পারে।
বিশৃঙ্খলার সূত্রপাত যেভাবে
ম্যাচে ফেরান তোরেসের গোলসূচক জয়ের পর স্পেনের রদ্রি ড্রেসিংরুম থেকে সতীর্থদের সাথে উদযাপন করতে দৌড়ে আসার সময় আর্জেন্টিনার নাহুয়েল মোলিনার সাথে হাতাহাতিতে জড়ান। রদ্রিকে সমর্থন করতে এরিক গার্সিয়া এগিয়ে এলে পারেদেস উত্যক্ত হয়ে গার্সিয়াকে আঘাত করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পেনের বদলি খেলোয়াড় গাভি এগিয়ে এলে থিয়াগো আলমাদা ও পারেদেস তাকেও ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। পরবর্তীতে সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাকেও এই বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।