বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার 

ব্যাংকের এনএসএফআর প্রতিবেদন পদ্ধতিতে পরিবর্তন

বাসেল-৩-এর আওতায় ব্যাংকের নেট স্টেবল ফান্ডিং রেশিও (এনএসএফআর) প্রতিবেদন পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জারি করা এক সার্কুলার লেটারে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংশোধিত ওপেন মার্কেট অপারেশন (ওএমও) নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রেপো, স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ও ইসলামী ব্যাংকগুলোর লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটিকে জামানতভিত্তিক ঋণ হিসেবে দেখাতে হবে।

নতুন কাঠামোয় আন্তঃব্যাংক রেপোকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়ের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জামানতভিত্তিক ঋণ/অর্থায়ন’ নামে নতুন একটি উপাদান যুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রেপো, এসএলএফ, আইবিএলএফ ও অনুরূপ লেনদেন দেখাতে হবে।

এ ছাড়া সরকারি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের জামানতমুক্ত এবং জামানতযুক্ত বাজারযোগ্য সিকিউরিটিজের জন্য পৃথক প্রতিবেদন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশি ও বিদেশি ব্যাংক এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণ, বিনিয়োগ ও আমানতের শ্রেণিবিন্যাসেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সব তফসিলি ব্যাংককে নতুন এনএসএফআর প্রতিবেদন কাঠামো অনুযায়ী প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। ৩০ জুন ২০২৬-এ সমাপ্ত প্রতিবেদনকাল থেকে সংশোধিত কাঠামো কার্যকর হবে। তবে এনএসএফআর সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।