বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

পোশাক খাতে নগদ সহায়তা ৫ শতাংশে উন্নীত

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও দেশীয় বস্ত্রশিল্পে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে নগদ সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতদিন শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের বিকল্প হিসেবে যে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হতো, তা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই সুবিধা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য কার্যকর হবে।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি বিভাগ (এফইপিডি) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রপ্তানির বিপরীতে রপ্তানি প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে পূর্বে জারি করা এফইপিডি-১ সার্কুলার নম্বর-১৭-এর পরিপূরক হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তার হার ১ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

তবে এই সুবিধা পেতে হলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে হবে। পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকে সুতা বা কাপড় সংগ্রহের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। কাঁচামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের সংশ্লিষ্ট সার্কুলারগুলোর নির্দেশনাও যথারীতি অনুসরণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জাহাজিকৃত রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে এই বর্ধিত নগদ সহায়তা প্রযোজ্য হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং রপ্তানিকারকদের ওপর চাপের মধ্যে নগদ সহায়তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে দেশীয় সুতা ও কাপড় ব্যবহারে উৎসাহ বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় টেক্সটাইল শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় ধরে রাখতে এই উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে মনে করছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত