সাজের গোপন সঙ্গী কনসিলার

মুখের ক্লান্তি, চোখের নিচের কালো দাগ, ব্রণ সবকিছুকেই আড়াল করে দিতে পারে ছোট্ট প্রসাধনী, কনসিলার। মেকআপের জাদুকরী অনুষঙ্গ। তবে এই জাদুর অনুষঙ্গ আজকের নয়। ১৯৩০-এর দশকে হলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ত্বকের ছোটখাটো ত্রুটি ক্যামেরার সামনে লুকাতে বিশেষ কভারেজযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার শুরু হয়। তার আধুনিক রূপ কনসিলার। পরে ১৯৫০ ও ৬০-এর দশকে সাধারণ মানুষের প্রসাধনী ব্যাগে জায়গা করে নেয়। যা এখন মেকআপের অপরিহার্য অনুষঙ্গ।

ত্বকের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী বাজারে নানা ধরনের কনসিলার পাওয়া যায়। লিকুইড কনসিলার সবচেয়ে জনপ্রিয়। যা সহজে ব্লেন্ড হয় এবং প্রায় সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযোগী। ক্রিম কনসিলার ঘন কভারেজ দেয়, তাই ব্রণের দাগ বা মেছতা ঢাকতে কার্যকর। স্টিক কনসিলার ভ্রমণ বা দ্রুত টাচ-আপের জন্য আদর্শ। অন্যদিকে পট কনসিলার দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় পেশাদার মেকআপ আর্টিস্টদের পছন্দের তালিকায় থাকে। এ ছাড়া রঙভিত্তিক কালার-কারেক্টিং কনসিলারও রয়েছে, যা লালচে ভাব, কালচে দাগ বা ত্বকের অসম রঙ ঠিক করতে ব্যবহৃত হয়।

 মেকআপে কনসিলারের গুরুত্ব শুধু দাগ ঢেকে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মুখের গড়নকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে, চোখের নিচে আলোর ছোঁয়া এবং ক্লান্ত চেহারায় প্রাণ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। কনসিলার প্রমাণ করে, সৌন্দর্যের জৌলুস লুকিয়ে থাকে সূক্ষ্ম যতœ আর নিখুঁত কৌশলের মধ্যে।