মাদকসেবন ও বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করতে গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত হাজীর মাজার বস্তিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ও ইন্টারনেট কানেকশন বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে পুলিশ। মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর অবস্থান নেয়ার ঘোষণা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন একটি দল নিয়ে অভিযান চালান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেসকোর এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম নাজিমুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়ে পরিচালিত এ কার্যক্রমে বস্তির বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, টঙ্গীর প্রতিটি বস্তিতে মাদকে ছয়লাব। বিশেষভাবে মাদকের আখড়া হিসেবে পরিচিত হাজীর মাজার। পুলিশের একার পক্ষে এই মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। এজন্য জায়গার মালিক, যারা গ্যাস বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ দেন সবার সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে হবে। সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে এই বস্তির মত জায়গা কোথাও নেই, এখানে শত শত ঘর হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে মাদক সেবন করে। এ দৃশ্য বাংলাদেশের আর কোথাও নেই।
জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, গাজীপুরের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের সহকর্মীরা অভিযান চালিয়ে গত মাসে ১৭১ টি মামলা দিয়েছে। কিন্তু এই বস্তিতে এসে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে তারা। এজন্য আমি এখানে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছি। পুলিশ চলে গেলে এখানে মাদকের হাট বসে। এজন্য পুলিশের অবর্তমানে যেন মাদকের রমরমা ব্যবসা না হয় সে কারণেই এই অভিযান। আমরা লাইন বিচ্ছিন্ন করার আগে ডেসকোর সঙ্গে কথা বলি, তারা আমাদের জানায় সবগুলো লাইনে অবৈধ। আমরা এই বস্তিতে অবৈধ বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট কানেকশন সব বন্ধ করছি ।