২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে কোনো ধরনের ম্যাচ ফিক্সিং বা অনিয়মের উদ্দেশ্যে পরিচালিত জুয়ার আলামত মেলেনি বলে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা। টুর্নামেন্টের মোট ১০৪টি ম্যাচের প্রতিটি সশরীরে এবং রিয়েল-টাইমে তদারকি করার পর ফিফার বিশেষ ইন্টিগ্রিটি টাস্কফোর্স এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
ম্যাচে অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে গঠিত এই টাস্কফোর্স জানিয়েছে, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে জুয়ার বাজার এবং মাঠের প্রতিটি মুহূর্ত নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। সংগৃহীত তথ্য ও ডেটা বিশদ বিশ্লেষণের পর কোনো ম্যাচে অনিয়মের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ফিফা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রখ্যাত আইনি ও ক্রীড়া সংস্থার সাথে যৌথভাবে কাজ করেছে। এই টাস্কফোর্সে যারা সদস্য হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে:
ফিফার বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থা, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই, ইন্টারপোল, এবং জাতিসংঘের 'ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম' বিভাগ; জুয়া পর্যবেক্ষণ ও প্রযুক্তিভিত্তিক স্পোর্টসরাডার, ইন্টারন্যাশনাল বেটিং ইন্টিগ্রিটি অ্যাসোসিয়েশন, জিনিয়াস স্পোর্টস ও আইসি৩৬০।
ফিফার সিনিয়র ইন্টিগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ যৌথ এই প্রচেষ্টার প্রশংসা করে বলেন, এই সফলতা ও যৌথ কাঠামোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সামনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা ইয়ুথ টুর্নামেন্ট এবং ২০২৭ সালের ফিফা নারী বিশ্বকাপেও একই ধরনের নিরাপত্তা ও নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচেই নিরপেক্ষ নজরদারি চালিয়ে কোনো ধরনের ম্যাচ ফিক্সিং বা সন্দেহজনক বেটিংয়ের প্রমাণ পায়নি ফিফা ইন্টিগ্রিটি টাস্কফোর্স।