ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, তাজউদ্দীন আহমদ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রের রাজনৈতিক গতিপথ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেছিলেন। আমাদের রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কেও তিনি আগেভাগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে তাজউদ্দীন আহমদ স্মারক বক্তৃতা-২০২৬ এ স্মারক বক্তার আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, একইভাবে সমাজতান্ত্রিক ধারার নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তাও তিনি উপলব্ধি করেছিলেন। তবে এ জন্য প্রয়োজনীয় সংগঠন ও নেতৃত্বের অভাব তাজউদ্দীন আহমদ অনুভব করেছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে শারমিন আহমদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের মা আর বাংলাদেশ তার সন্তান। একাত্তরের দুঃসময়ে তাজউদ্দীন আহমদ জাতিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। একাত্তর প্রজন্ম যে উদ্দেশে রক্ত দিয়েছিল তার ফসল আমরা ঘরে তুলতে পারিনি। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এসব ইতিহাস জানতে হবে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ঢাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, স্বাধীনতার মূল স্পিরিট গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হলে এর পরিণতি কেমন হয় তার ভবিষ্যদ্বাণী তাজউদ্দীন আহমদ করে গিয়েছেন। যেটা আমরা ১৯৭৫ এবং ২০২৪ সালে দেখেছি।