সইয়ের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই অনিশ্চয়তায় সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক চুক্তি

দীর্ঘ আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। চুক্তি ঘোষণার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, সৌদি আরবকে আগে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এই চুক্তিতে সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

তবে বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেই মতবিরোধ দেখা দেয়। সিএনএনের খবরে বলা হয়, জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট ট্রাম্পকে না জানিয়েই চুক্তি ঘোষণায় এগিয়ে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট ক্ষুব্ধ হন। পরে রক্ষণশীল গণমাধ্যম ও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের সমালোচনার পর ট্রাম্প নতুন শর্ত আরোপ করেন।

হোয়াইট হাউসের দাবি, সৌদি আরবের আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার শর্ত শুরু থেকেই ট্রাম্পের নীতির অংশ ছিল। তবে বিষয়টি প্রশাসনের পারমাণবিক আলোচকদের কাছেও অপ্রত্যাশিত ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, পুরো প্রক্রিয়াই হোয়াইট হাউস ও পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করেই সম্পন্ন হয়েছে।

চুক্তিতে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সৌদি আরবকে নিজ দেশে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি জাতিসংঘের পারমাণবিক তদারকি সংস্থার কিছু পরিদর্শন ক্ষমতা সীমিত করার বিষয়ও রয়েছে বলে সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্পের নতুন ঘোষণায় সৌদি আরবও বিস্মিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।