যুক্তরাষ্ট্রের`শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের' জবাব হিসেবে কুয়েত ও কাতারে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে আত্মঘাতী ড্রোন ‘আরাশ’ হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানি সেনাবাহিনী ওই দাবি করেছে।
ইরানের সেনাবাহিনীর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হুমকি দেশটির জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল আরও শক্তিশালী করবে এবং তারা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, এই অভিযানে কুয়েতের ‘ক্যাম্প উদাইরি’তে মার্কিন বাহিনীর সরঞ্জাম সংরক্ষণাগার, ‘দোহা ক্যাম্প’-এ অবস্থানরত মার্কিন সেনা সদস্যদের অবস্থান এবং ‘ক্যাম্প আরিফজান’-এ মার্কিন বাহিনীর ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, 'আগ্রাসী শত্রুর' হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়, শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে ইরানের উচ্চমাত্রার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র অভিযানও অব্যাহত থাকবে।
এ ছাড়া ইরানের সেনাবাহিনী সতর্ক করে বলেছে, নতুন করে কোনো সামরিক অভিযান বা নতুন যুদ্ধফ্রন্ট খোলার চেষ্টা করলে তা প্রতিপক্ষের কৌশলগত ভুলের পুনরাবৃত্তি হবে। এতে হামলাকারীরা আরও অপমানিত হবে এবং ইরানের শক্তি ও মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি করা হয়েছে। এর আগে ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’-এর ২৪তম ধাপেও বাহরাইন ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক অবস্থানে ‘আরাশ ড্রোন’ দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছিল ইরানের সেনাবাহিনী।
তাদের দাবি অনুযায়ী, ওই হামলায় বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে জ্বালানি সংরক্ষণাগার, বড় সরঞ্জাম গুদাম এবং মার্কিন সেনাদের আবাসন এলাকা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। পাশাপাশি জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে বিমান হ্যাঙ্গার, বিমান রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র এবং সেনা সদস্যদের আবাসন এলাকায়ও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।