আমরা সবাই যেন দেশকে ভালোবাসি : রুনা লায়লা

ক্যারিয়ারে প্রথমবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে প্রথমবার একক সংগীত পরিবশেন করলেন দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। শুক্রবার (২৪ জুলাই)  সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে গানে-আড্ডায় সবাইকে মুগ্ধ কররেন জীবন্ত এই কিংবদন্তি।  গেল শুক্রবার নেমে আসে যেন এক স্বর্ণালী সন্ধ্যা। অনুষ্ঠানের নির্ধারিত সময়ের আগে দর্শকে টুইটম্বুর ছিল মিলনায়তন। অপেক্ষার প্রহর শেষ হয় ঘড়ির কাঁটা সাতের ঘরে পড়তেই। 

প্রিয় তারকার উপস্থিতিই মুগ্ধ করে ভক্ত-শ্রোতাদের। মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই দর্শক দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান শিল্পীকে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এদিন রুনা লায়লাকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী রুনা লায়লার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মও উপস্থিত ছিলেন। 

সম্মাননা গ্রহণের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে ‘দেশের জন্য যারা দিয়ে গেছো প্রাণ’ গান দিয়ে পরিবেশনা শুরু করেন রুনা লায়লা। এরপর আরও কিছু গান করেন; তার পরিচিত গানগুলোতে গলা মেলান আসনে থাকা দর্শকেরা। প্রায় দেড় ঘণ্টার পরিবেশনায় তিনি আধুনিক গান, চলচ্চিত্রের গান ও দেশাত্মবোধক সংগীত মিলিয়ে প্রায় ১০টি গান পরিবেশন করেন। প্রতিটি গান হৃদয় ছুঁয়ে যায় রুনা লায়লার ভক্ত-শ্রোতাদের।

শিল্পকলার এই আয়োজনকে বেশ সাধুবাদ জানিয়েছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত এই শিল্পী। বলে রাখা ভালো, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এটিই প্রথম একক অনুষ্ঠান শিল্পীর। সম্মাননা পেয়ে যেমন আনন্দিত তিনি; একইসঙ্গে এই আয়োজনের মাধ্যমে বন্যা দূর্গতদের জন্য শিল্পকলার এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানান রুনা লায়লা। এক বক্তব্যে রুনা লায়লা বললেন,  ‘অনেক বছর পরে হলেও এ ধরনের আয়োজনের জন্য শিল্পকলা একাডেমিকে সাধুবাদ জানাই। ভালো লাগছে যে আপনারা একটা ভালো কাজে এগিয়ে এসেছেন, ভালো কাজে যোগ দিয়েছেন। আমরা সবাই যেন দেশকে ভালোবেসে কাজ করি।’